ভালুকা উপজেলা বাস স্টেশনের ১০০ গজ পূর্ব পাশে অবস্থিত চয়েজ বাইক পয়েন্টের মালিক এম এ সামাদ চয়েজ মিয়া-এর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক অসহায় নারীর সঙ্গে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী নারী আঁখি (ঢাকা উত্তরখান) অভিযোগ করে জানান, এম এ সামাদ চয়েজ মিয়া তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে দীর্ঘদিন বিভিন্ন স্থানে ও তার নিজের বাসায় নিয়ে গিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরে বিয়ের কথা বললে তিনি তা অস্বীকার করেন এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে অভিযোগটি দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকায় অভিযোগ করলে, ঘটনার সত্যতা জানতে পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক রবিউল আলম রাজু মুঠোফোনে অভিযুক্ত এম এ সামাদ চয়েজ মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, ফোনে কথা বলার সময় এম এ সামাদ চয়েজ মিয়া সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং প্রাণনাশসহ বিভিন্ন হুমকি প্রদান করেন। পাশাপাশি তিনি পত্রিকা অফিস বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক।
এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহল ও সচেতন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী নারী প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচারের আবেদন জানিয়ে বলেন, “আমি প্রতারণার শিকার হয়েছি। এখন আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এম এ সামাদ চয়েজ মিয়ার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি প্রতিবেদককে হুমকি ও গালিগালাজ ছাড়া কোনো মন্তব্য দেননি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলে অভিযোগ জানানো হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ