বাউফল প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর বাউফলের কালাইয়া বাণিজ্য বন্দরের ধানেরহাট এলাকায় তরমুজ পরিবহনে নতুন করে চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দূরবর্তী চরাঞ্চল—চন্দ্রদ্বীপ, চর নিমদী, চর আলগীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে তরমুজ এনে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানোর পথে কৃষক ও পাইকারদের দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।
ভুক্তভোগীদের দাবি, হাটে তরমুজ বিক্রি না করলেও ‘খাজনা’র নামে ট্রাকপ্রতি ৭০০ টাকা এবং ট্রলার ভেড়ানোর জন্য আরও ৩০০-৪০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এতে প্রতিদিনই বাড়ছে পরিবহন খরচ, কমছে লাভ। কৃষক মো. আনসার উদ্দিন বলেন, “নদী পাড়ি দিয়ে হাটে পৌঁছালেই টাকা না দিলে নানা হয়রানির শিকার হতে হয়।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, ইজারাদারের নিয়োজিত ব্যক্তিরা সরাসরি এই টাকা নিচ্ছেন এবং তা স্বীকারও করছেন। তবে ইজারাদার মো. ইকবাল মিয়া বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট জানেন না বলে দাবি করেছেন; বেআইনি হলে বন্ধের আশ্বাস দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালেহ আহমেদ জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন—খাজনার নামে এই অতিরিক্ত আদায় কি বৈধ, নাকি এটি সংগঠিত চাঁদাবাজিরই আরেক রূপ?