ঢাকা মহানগর উত্তর এর বাড্ডা থানার অন্তর্গত আবাসিক এলাকায় অবস্থিত বাড্ডা জাগরণী সংসদ [ছবি-১] ক্লাবটি নিয়ে এলাকার নাগরিকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাড়িওয়ালা ও সাধারণ মানুষের দাবি, ক্লাবটি এখন আর সামাজিক ক্লাব নেই, এটি মাদকের হটস্পট, অনৈতিক কাজ, ইয়াবা, সীসা, জুয়ার আসর ও ক্যাসিনোর আঁতুড়ঘরে পরিণত হয়েছে।
এলাকাবাসীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার একটি অনুসন্ধানী টিম ঘটনাস্থলে তথ্য সংগ্রহে যায়। টিমে ৮ জন সাংবাদিক ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের অভিযোগ, ক্লাবে প্রবেশের সাথে সাথেই ক্লাবের ভেতরে থাকা একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, হকিস্টিক, চাকু ও রামদা নিয়ে তাদের ওপর হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায়।
হামলাকারীরা সাংবাদিকদের ২টি বড় ভিডিও ক্যামেরা, ৩টি মোবাইল (২টি অ্যান্ড্রয়েড ও ১টি বাটন সেট), ৩টি মিনি ক্যামেরা, ৪টি গোপন ক্যামেরা এবং ২ জন নারী সাংবাদিকের ২টি স্বর্ণের চেইন ও ১টি কানের দুল ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই হামলায় ৮ জন সাংবাদিক গুরুতর জখম হন। পরে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে। আহতদের মধ্যে ৩ জনকে কুয়েত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে, ২ জনকে মনসুর আলী হাসপাতালে এবং ৩ জনকে বাংলাদেশ মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই পুরো অপকর্মের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মাসুদ নামে এক ব্যক্তি অভিযুক্ত হিসেবে দেখা যাচ্ছে], যাকে এলাকাবাসী শীর্ষ সন্ত্রাসী, মাদক ও সীসা ব্যবসায়ী এবং অনৈতিক কাজের মূল হোতা হিসেবে দাবি করছেন। তাদের দাবি, উপর মহলের ছত্রছায়ায় এই ক্লাবটি একটি সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।
এ বিষয়ে সকল সাংবাদিক সমাজ ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। বাড্ডা জাগরণী সংসদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে এলাকার যুব সমাজ, ছাত্র সমাজ এবং সাধারণ বাড়িওয়ালাদের রক্ষা করার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
চেয়ারম্যান মোঃ রাজু আহমেদ খোকন
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আল মাহমুদ