• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
টপ নিউজ
রাণীশংকৈলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ যশোরে পাম্পে পাম্পে ঘুরেও মিলছে না জ্বালানি তেল, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ তরমুজে ভর, চাঁদার চাপ—বাউফলে কৃষকের দীর্ঘশ্বাস নানা বাড়িতে ঈদের আনন্দ রুপ নিলো বিষাদে ঝিকরগাছায় ইজিবাইকের ধাক্কায় ঝরলো শিশুর প্রাণ বগুড়ার শাহজাহানপুরে সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম এর বাসায় ৫ ঘন্টা ব্যাপী সন্ত্রাসী হামলা: ঢাকা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ নড়াইলের কালিয়ায় মাংস ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২৫ গ্রেপ্তার ২০ গোপালগঞ্জে ৯৬/৯৭ ব্যাচের বর্ণিল ঈদ পুনর্মিলনী বন্ধুত্ব, স্মৃতি আর আনন্দে ভরপুর দিনব্যাপী আয়োজন গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে শরীফ রফিকুজ্জামানের যোগদান ঝালকাঠির রাজাপুরে মারধর ও চুরির অভিযোগ, আতঙ্কে পরিবার তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
Wellcome to our website...জনপ্রিয় অনলাইন বিডি পাটনার টিভিতে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা প্রতিনিধি হতে আগ্রহী তারা bdpatnertv@gomail.com এ সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং জীবন বৃত্তান্ত পাঠান। আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া যেকোনো ঘটনা আমাদের জানাতে মেইল করুন bdpatnertv@gomail.com প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৮৩-৩৬৭১৭২

তরমুজে ভর, চাঁদার চাপ—বাউফলে কৃষকের দীর্ঘশ্বাস

বাউফল প্রতিনিধি / ২৭ Time View
Update : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬

বাউফল প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর বাউফলের কালাইয়া বাণিজ্য বন্দরের ধানেরহাট এলাকায় তরমুজ পরিবহনে নতুন করে চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দূরবর্তী চরাঞ্চল—চন্দ্রদ্বীপ, চর নিমদী, চর আলগীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে তরমুজ এনে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানোর পথে কৃষক ও পাইকারদের দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

ভুক্তভোগীদের দাবি, হাটে তরমুজ বিক্রি না করলেও ‘খাজনা’র নামে ট্রাকপ্রতি ৭০০ টাকা এবং ট্রলার ভেড়ানোর জন্য আরও ৩০০-৪০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এতে প্রতিদিনই বাড়ছে পরিবহন খরচ, কমছে লাভ। কৃষক মো. আনসার উদ্দিন বলেন, “নদী পাড়ি দিয়ে হাটে পৌঁছালেই টাকা না দিলে নানা হয়রানির শিকার হতে হয়।”

সরেজমিনে দেখা গেছে, ইজারাদারের নিয়োজিত ব্যক্তিরা সরাসরি এই টাকা নিচ্ছেন এবং তা স্বীকারও করছেন। তবে ইজারাদার মো. ইকবাল মিয়া বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট জানেন না বলে দাবি করেছেন; বেআইনি হলে বন্ধের আশ্বাস দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালেহ আহমেদ জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন—খাজনার নামে এই অতিরিক্ত আদায় কি বৈধ, নাকি এটি সংগঠিত চাঁদাবাজিরই আরেক রূপ?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category