গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাদক এবং জুয়া ক্যাসিনো এর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করার পরেও কিছু দলীয় নামধারী নেতাকর্মী বিভিন্ন ক্লাবের নাম দিয়ে আবার বিভিন্ন ক্লাবের সাথে আঁতাত করে বসিয়েছে জুয়ার আসর, এসব জুয়ার আসর কে কেন্দ্র করে এলাকায় বেড়েছে বিভিন্ন সন্ত্রাসীদের আনাগোনা। এসব ক্লাবে নিয়মিত আওয়ামী সন্ত্রাসী দল যেসব নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৫ ই আগস্ট এর ছাত্র জনতা হত্যার মামলা রয়েছে তারাও নিয়মিত এখানে এসে জুয়া খেলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
রাজধানীর মধ্যবাড্ডার জাগরণী সংসদ ক্লাবে সাংবাদিক তথ্য নিতে গেলে তাদেরকে আটকে মারধর করে হত্যার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ উঠেছে জাগরণী ক্লাবের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে মামলার বাদী সাংবাদিক সাথী আক্তারের সাথে কথা হয় দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশের সাথে তিনি জানান
০৪/০৯/২০২৬ইং রাত্র আনুমানিক ১১.৪৫ ঘটিকার সময় মধ্যবাড্ডা আলাতুন্নেছা স্কুল এ্যান্ড কলেজের পার্শ্ববর্তী জাগরনী সংসদ ক্লাবে জুয়া ও ক্যাসিনো খেলতে আওয়ামীলীগের পলাতক ছাত্র জনতা হত্যার আসামীরা অবস্থান করিয়া জুয়া খেলছে এমন সংবাদের তথ্য সংগ্রহের জন্য গেলে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক সোহাগ জোয়ারদার, এ. আর. মজিদ শরীফ, মামুন মোল্লা, শেখ আরমান, চম্পা আলম, সাথী আক্তার গণকে জাগরনী সংসদ ক্লাব এর আহ্বায়ক সামছুল হক এবং সদস্য সচিব সাঈদ হাসান কানন এর হুকুমে এবং উপস্থিত অন্যান্য সদস্যদের আদেশে জাগরনী সংসদ ক্লাবে অবস্থানরত সন্ত্রাসী বিবাদী (১) মাসুদ পিতা ও ঠিকানা: অজ্ঞাত, (২) সোহেল পিতা ও ঠিকানা: অজ্ঞাত, (৩) সুমন পিতা ও ঠিকানা: অজ্ঞাত, (৪) শিপন পিতা ও ঠিকানা: অজ্ঞাত, (৫) জিয়া পিতা ও ঠিকানা: অজ্ঞাত, (৬) জুয়েল পিতা ও ঠিকানা: অজ্ঞাত সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জন ক্রিকেট খেলার ব্যাট, স্টাম্প, রড দিয়ে উল্লেখিত সাংবাদিকদেরকে এলোপাথারী হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে জখম করে। সকল সন্ত্রাসীদের বয়স আনুমানিক ৩০ থেকে ৪৫ এর মধ্যে হবে। সন্ত্রাসীদের আক্রমনে সাংবাদিকগণ গুরুতর আহত হয়েছেন এবং সারা শরীরে নিলাফোলা জখম হয়। সাংবাদিক সোহাগ জোয়ারদারের পা ও পায়ের আঙ্গুল মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সাংবাদিক মামুন মোল্লার হাতের কয়েকটি আঙ্গুল ফেটে যায় যেখানে ৫টি সেলাই লেগেছে। সাংবাদিক চম্পা আলম ও সাথী আক্তারকে সন্ত্রাসীরা বিবস্ত্র করার চেষ্টা করলে এবং শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে টানাহিচড়া করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করলে তাদেরকে বাঁচাতে সাংবাদিক এ আর মজিদ শরীফ, সোহাগ জোয়ারদার, আরমান শেখ এগিয়ে আসলে তাদেরকে ক্রিকেট খেলার ব্যাট ও স্টাম্প দিয়ে বেদম প্রহার করে। সাংবাদিকদের ব্যবহৃত ২টি বড় ভিডিও ক্যামেরার মধ্যে ১টি তারা ভেঙ্গে ফেলে, অন্যটি ছিনিয়ে নেয়। সাংবাদিকদের ব্যবহৃত ২টি বুম, গোপন ৪টি ক্যামেরা, ২টি ব্লুটুথ ডিভাইস, ২টি পেন ড্রাইভ ও ৩টি এনড্রয়েড মোবাইল, ১টি বাটন সেট সন্ত্রাসীরা নিয়ে যায় যার আনুমানিক মূল্য ৫,১৫,০০০/- টাকা এবং সাংবাদিকদের পকেট থেকে হাতিয়ে নেয় সর্বমোট ১৭,৮৩০/- টাকা। ভিতরে সাংবাদিকদের মেরে ফেলেছে এমন সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বাহিরে অবস্থানরত অন্য সাংবাদিকরা ৯৯৯ এ ফোন দিলে বাড্ডা থানার এস আই আরাফাত তার সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে ঘটনা¯’স্থলে এসে সাংবাদিকদের উদ্ধার করেন। কিন্তু অবস্থানরত বহিরাগত সন্ত্রাসীদের তোপের মুখে এস আই আরাফাত উদ্ধার কৃত সাংবাদিকদের নিকট থেকে লিখিত নিয়ে তাদেরকে বের করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে আহত সকল সাংবাদিকদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ বিষয়ে কোনো মামলা করবেন কিনা জানালে বাদি বলেন বাড্ডা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। দোষীদের তো সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ার চেষ্টা করব। উল্লেখ্য বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে বাড্ডা জাগরণী সংসদ ক্লাবে জুয়া খেলা হয় বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ হয় ইত্যাদি উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশ করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছেন না। স্থানীয়দের বক্তব্যে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য আবাসিক এলাকায় এমন একটি ক্লাব হওয়ার কারণে জুয়া কেসিনো খেলার কারণে এলাকার যুব সমাজ পতিত হয়েছে। এ বিষয় নিয়ে জাগরণী সংসদের আহবায়ক সাধারণ সম্পাদক এর সাথে যোগাযোগ করলে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।