• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
টপ নিউজ
ভান্ডারিয়ায় মাদকের বড় কারবারি ধরা ছোয়ার বাইরে ভান্ডারিয়ায় লাইসেন্স ব্যতীত মজুদ করা ডিজেল জব্দ, তানভীর এন্টারপ্রাইজ এর মালিক মো: সিদ্দিক হাওলাদার কে অর্থদণ্ড চেয়ারম্যান পদে নাজির উদ্দিনকে দেখতে চায় তালমবাসী একজন মুমূর্ষ গর্ভবতী মহিলার রোগীর জন্য এবি নেগেটিভ রক্তের প্রয়োজন। যোগাযোগের ঠিকানা : উল্লাপাড়া -সিরাজগঞ্জ ০১৭১৩-৮৬১২৭২ এবং ০১৭৪৯-৯৬৪২৭২ বাচ্চাদের মোবাইল আসক্তি বাড়ছে, বাড়ছে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি—সচেতনতা জরুরি চন্দ্রা হাটে প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ ‘রুপচাঁদা’ বিক্রি—প্রশাসনের নীরবতায় প্রশ্ন রংপুরে ঝড় ও শীলাবৃষ্টি নিহত ১ শাহজাদপুরে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা  শিবির ও ছানি অপারেশন উচ্ছেদের পরও ফের দখল—গোপালগঞ্জ মেডিকেল এলাকায় অবৈধ দোকান, দুর্ভোগে রোগী-স্বজন টানা তিন দিন ছুটি শেষে কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে বেনাপোল কাস্টমস ও বন্দরে
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
Wellcome to our website...জনপ্রিয় অনলাইন বিডি পাটনার টিভিতে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা প্রতিনিধি হতে আগ্রহী তারা bdpatnertv@gomail.com এ সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং জীবন বৃত্তান্ত পাঠান। আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া যেকোনো ঘটনা আমাদের জানাতে মেইল করুন bdpatnertv@gomail.com প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৮৩-৩৬৭১৭২

ভান্ডারিয়ায় মাদকের বড় কারবারি ধরা ছোয়ার বাইরে

স্টাফ রিপোর্টার : / ৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার ৭নং গৌরীপুর ইউনিয়নের তেওয়ারীপুর গ্রামের মোদাচ্ছের হোসেনের ছেলে মোঃ ফজলুল করিম ওরফে মিঠু মিয়া একাধিক মাদক মামলার আসামী , বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় এক সময়ের মিঠু আর বর্তমান অবস্থায় মিঠু মিয়া এলাকায় স্কুল,মাদরাসা,মসজিদ এ সকল কিছুতে অনুদান দেওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে এবং দিচ্ছে । কিন্তু মাদকের গড ফাদার হিসাবে এলাকায় তোলপাড় ।মামলা সূত্রে জানা যায়,২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার উত্তরা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের খিলগাঁও সার্কেলের পরিদর্শক কামরুজ্জামান বাদী হয়ে মো ফজলুল করিম (মিঠু), তার স্ত্রী শারমিন আক্তার এবং মিঠুর মেঝ ভাই এনায়েত করিম লিটুর স্ত্রী নাসিমা আক্তারকে আসামি করে মামলা করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় পুলিশ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে মো. ফজলুল করিম মিঠুর ঢাকার বাসা থেকে মিঠুর স্ত্রী শারমিন আক্তারের ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে ৫০টি প্যাকেটে ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং মিঠুর মেঝ ভাই এনায়েত করিম লিটুর স্ত্রী নাসিমা আক্তারের ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবা এবং ১হাজার ৩০০ অ্যাম্পুল লুপিজেসিন ইনজেশন, দুইটি মোবাইল সেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ২২ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করে। এ সময় মিঠু পালিয়ে গেলেও ঐ দুই নারীকে পুলিশ গ্রেফতার করে। মামলার এজাহারে ১ নম্বর আসামি মো. ফজলু করিম (মিঠু) কে পলাতক
দেখানো হয় এবং গ্রেফতারকৃত দুই নারীতে জেল হাজতে প্রেরণ করা ।নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে হঠাৎ করে এলাকায় নামে-বেনামে প্রায় ৫০ বিঘার অধিক সম্পত্তি ক্রয় এবং একাধিক প্রাইভেটকার নিয়ে শোডাউন করায় এলাকায় নানা ধরনের গুঞ্জন চল্ছে ।এছাড়া ১ একর জমির উপর প্রাচীর বেষ্টিত বাংলো বাড়ী নির্মানের কাজ চলছে যেখানে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত।অন্যদিকে মাদকের ভয়াবহ ছোবলে স্থানীয় যুবক, তরুণ সমাজ আজ ধ্বংসের পথে। তাই সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি এর প্রতিকারের দাবি জানান এলাকাবাসী। তার এই বিপুল পরিমান টাকা খরচ করা নিয়ে এলাকায় চলে নানা জল্পনা কল্পনা । ঢাকার পরে তার নিজ এলাকায় মাদক ব্যাবসা সম্প্রসারণ করতে স্থানীয় কথিত কিছু লোকের সঙ্গে গড়ে তোলে সখ্যতা।জনশ্রুতি আছে তার এই অবৈধ অর্থের কেলেঙ্কারি ঢাকতে নিজ এলাকায় মসজিদ, মন্দির ছাড়াও কিছু গরীব মানুষকে লোক দেখানো কিছু দান সদকা করে থাকেন। এ ব্যবসাকে পাকাপোক্ত করতে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রার্থী, নেতা এমনকি প্রশাসনের কিছু লোককেও তার (মিঠুর) পক্ষের লোক কে টাকা দেন। শোডাউনের ছবিতে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ঐ ওয়ার্ডের আলী হোসেন নামের এক মেম্বার প্রার্থীকেও দেখা গেছে। এ বিষয়ে মিডিয়া কর্মীদের সাথে ভুক্তভোগি মামলার বাদীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, মোঃ ফজলুল করিম, পিতা- মৃত মোদাচ্ছের হোসেন, স্থায়ী ঠিকানা গ্রামঃ নিয়ন্ত্রন আইন ১৯৯০ এর ১৯ (১) এর মধ্যে, ও (খ), ৩(১) এবং ৩(২) ধারায় চলমান মামলা নং ৬৭৭ / ২০১৬। উক্ত মামলার প্রাথমিক মাদকদ্রব্য বিবরণীতে উল্লেখিত আসামীর ঠিকানা সেক্টর ১৩, রোড ২, বাড়ী নং ৫০, ৬ষ্ঠ তলা, ফ্ল্যাট বি-৫, উত্তরা,ঢাকা। এছাড়াও আসামীর নামে উত্তরা, কাফরুল, ভাটারা ও পল্টন থানায় একাধিক মামলা চলমান রয়েছে । বর্তমানে উক্ত আসামী পলাতক আছে।উক্ত আসামী মোঃ ফজলুল করিম প্রায়ই মোবাইল ফোনে, পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানার তেওয়ারীপুর গ্রামের আবদুল হামিদ মিয়ার পুত্র আতিকুর রহমান এর সাথে যোগাযোগ করে।
আতিকুর রহমান নিজেকে মুফতি পরিচয় দিয়ে ১৯১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত তেওয়ারীপুর সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই নিবন্ধনহীন একটি কওমী মাদ্রাসা পরিচালনা করেন যাহার অর্থায়ন করে আসামী মোঃ ফজলুল করিম ওরফে মিঠু মিয়া ।উক্ত আসামীর শারমিন আক্তারও উক্ত ব্যবসার সাথে জড়িত। গত ০৩/০২/২০১৬ ইং তারিখে অনলাইন পত্রিকা “আমাদের সময় ডট কম” এ প্রকাশিত হয় যে, রাজধানীর উত্তরা ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে চৌদ্দ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও এক হাজার চারশত পিস এ্যাম্পুল ইনজেকশনসহ শারমিন আক্তার ও নাসিমা আক্তার (উক্ত আসামী মোঃ ফজলুল করিম এর ভাবী) নামক দুই নারীকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর কর্তৃক আটক করা হয়। শারমিন আক্তার জানিয়েছে যে তার স্বামী মোঃ ফজলুল করিম উক্ত ব্যবসার সাথে জড়িত এবং বর্তমানে পলাতক আছে। গত ২৫/০৩/২০২১ ইং তারিখ দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক তথ্য দর্পণ পত্রিকাসহ জাতীয় অন্যান্য দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত “মাদক মামলার পলাতক আসামীর শোডাউন” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয় যাতে বলা হয় ঢাকার উত্তারা থানায় মাদক মামলার প্রধান আসামী মোঃ ফজলুল করিম ওরফে মিঠু মিয়া কোর্টের তালিকায় পলাতক থাকলেও তিনি বীরদর্পে গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার ৭ নম্বর গৌরীপুর ইউনিয়নের তেওয়ারীপুর গ্রামে প্রায়ই এসে শোডাউন করে ঢাকা চলে যায়। এলাকায় তার এই শোডাউনকে ঘিরে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।এছাড়াও গত ০৫/০৮/২০২১ ইং তারিখ পিরোজপুর টাইমস অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত “ভান্ডারিয়া মাদক ব্যবসায়ীর ত্রাণ বিতরণের অভিযোগ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয় যাতে বলা হয় রাজধানী ঢাকা সহ বিভাগীয় শহরগুলোর পর এবার নিজ এলাকায় মাদক ব্যবসা পাকাপোক্ত করতে অভিনব কৌশল অবলম্বন করেছেন একাধিক মাদক মামলার এজহারভুক্ত আসামী এক শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী বলে অভিযোগ উঠেছে। ঐ মাদক ব্যবসায়ী পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার ৭ নম্বর গৌরীপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের তেওয়ারীপুর গ্রামের বাসিন্দা মরহুম মোদাচ্ছের মিয়ার ছেলে মোঃ ফজলুল করিম ওরফে দাদা ওরফে মিঠু। ঐ মাদক ব্যবসায়ী এ ব্যবসা পাকাপোক্ত করতে ২০১৫ সালে মোদাচ্ছের হোসেন মিয়া স্মৃতি সংসদ, মিয়া বাড়ি, প্রতিষ্ঠাতা তার পুত্রগণ সৌজন্যে ফজলুল করিম মিন্টু নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠিত করেন।
হয়। ভান্ডারিয়া উপ্জেলার বিভিন্ন যায়গায় তার নিজেস্ব আদাব প্রদান কারী রয়েছে ।বিশেষ করে মিরাবাড়ি, পৈকখালী,মাটিভাংগা সহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক ব্যবসা সম্প্রসারন করে আস্ছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিরেপক্ষ তদন্ত করলে আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে । ইউনিয়ন বাসীর দাবী যিনি একাধিক মাদক মামলার আসামি মাদকের ডিলার হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে সচেতন মহল তাকে কখনোই গ্রহন করবেনা। অর্থ ছিটিয়ে ভালো মানুষ হওয়া যায় না । ভালো মানুষ হতে হলে পরিছন্ন থাকতে হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category