• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
টপ নিউজ
৫ লক্ষ ৬৫ হাজার”টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, মহেশপুর ফরিদা বেগমের বিরুদ্ধে পরিচ্ছন্ন, আলোকিত ও ডিজিটাল ৯নং ওয়ার্ড গড়ার স্বপ্ন দেখছেন পৌর বিএনপির কর্মী ও ভালুকা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ ফজলুল হক পীরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে এগিয়ে নজমুল হুদা মিঠু’র ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গণজোয়ার মিঠাপুকুরে মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধ নিখোঁজ, সন্ধানদাতাকে পুরস্কারের ঘোষণা। প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে রাজনৈতিক সহিংসতায় গুম হয়ে নিহত নাসির উদ্দিন মন্টুর ছোট ভাই শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক কে হত্যার উদ্দেশ্য অতর্কিত হামলা চালায় একদল সন্ত্রাসী। বদলগাছীতে বৈশাখী শোভাযাত্রা -সাংস্কৃতিক আয়োজনে বাংলা নববর্ষ বরণ অনুষ্ঠিত ভান্ডারিয়ায় লাইসেন্স ব্যতীত মজুদ করা ডিজেল জব্দ, তানভীর এন্টারপ্রাইজ এর মালিক মো: সিদ্দিক হাওলাদার কে অর্থদণ্ড চেয়ারম্যান পদে নাজির উদ্দিনকে দেখতে চায় তালমবাসী একজন মুমূর্ষ গর্ভবতী মহিলার রোগীর জন্য এবি নেগেটিভ রক্তের প্রয়োজন। যোগাযোগের ঠিকানা : উল্লাপাড়া -সিরাজগঞ্জ ০১৭১৩-৮৬১২৭২ এবং ০১৭৪৯-৯৬৪২৭২
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
Wellcome to our website...জনপ্রিয় অনলাইন বিডি পাটনার টিভিতে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা প্রতিনিধি হতে আগ্রহী তারা bdpatnertv@gomail.com এ সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং জীবন বৃত্তান্ত পাঠান। আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া যেকোনো ঘটনা আমাদের জানাতে মেইল করুন bdpatnertv@gomail.com প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৮৩-৩৬৭১৭২

৫ লক্ষ ৬৫ হাজার”টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, মহেশপুর ফরিদা বেগমের বিরুদ্ধে

এস এম ফোরকান মাহমুদ : স্টাফ রিপোর্টারঃ / ১২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

সিঙ্গাপুর পাঠানো ও ব্যবসার কথা বলে প্রতারণা করে “৫ লক্ষ ৬৫ হাজার”টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, ঝিনাইদহ জেলার, মহেশপুর উপজেলার, যয়দেবপুর ইউনিয়নের মোছা: ফরিদা বেগমের নামে।
এই বিষয় গত ২৩ /০৮/২৬ ইং তারিখ ভুক্তভোগী মোঃ মহিদুল ইসলাম নিজে বাদী হয়ে ফরিদা বেগমের বিরুদ্ধে মহেশপুর থানায় একটি লিখত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করে বলেন বিবাদী মোছা: ফরিদা বেগম, এবং আমার বাড়ি একই, এলাকায় হওয়ায় পূর্ব পরিচিত, সেই, সুবাদে একটা সময় আমাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানোর কথাবেলে, সিঙ্গাপুরে তার ভালো যোগাযোগ রয়েছে এবং তার সিঙ্গাপুরে তার আত্মীয়-স্বজন আছে এই বলে আমাকে সিঙ্গাপুরে ভালো একটি চাকরি ও উচ্চমানের বেতনের লোভ দেখিয়ে আমার কাছ থেকে গত ছয় মাস পূর্বে নগদ অর্থ ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা এবং আমার পাসপোর্ট বই নিয়ে যায়।

এছাড়াও, ইদ্রিস আলী, বাবু শেখ,মন্টু ও মিয়া তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করছেন।

মহিদুলের কাছ থেকে টাকা নেবার সময় সাক্ষী ছিলেন ২- জন তারা হলেন , ১নং মো:শিহাব হোসেন বাঘারপাড়া, তিনি বেলেন, ফরিদা বেগম ভিসার ব্যবসা করেই ক্ষ্যান্ত হননি, তিনি আমার সাথে ও প্রতারণা করছে আমি তার কাছ থেকে জমি ক্রয়ে করি সে আমার জমি বুঝ না দিয়ে, অন্য কারো কাছে বেশি লাগে বিক্রি করার পাঁয়তারা করছে, এই ব্যাপারেও ফরিদা বেগমের নামে মহেসপুর থানায় আমি একটি অভিযোগ দিয়ে থাকি ।
২নং মো: শিমুল – উপজেলা মহেশপুর – জেলা, ঝিনাইদহ। এই সকল সাক্ষী গণের উপস্থিতিতে মহিদুল ইসলামের কাছ থেকে ফরিদা বেগম সিঙ্গাপুরে ৩ মাসের মধ্যে পাঠাবলে টাকা নেন ।
প্রায় দীর্ঘ ৪-৫ মাস হয়ে গেলে সিঙ্গাপুর পাঠানোর কথা বলে সময় ক্ষেপণ করে যাচ্ছেন। একপর্যায়ে ফরিদা বেগম তিনি মহিদুলের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। মহিদুল ইসলাম খোজ-খবর নিয়ে জানতে পারেন যে সিঙ্গাপুরে নেয়ার কোন প্রসেস ফরিদা বেগম করছেন না। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছেন তখন ফরিদা বেগমের কাছে টাকা চাইতে গেলে তিনি ৯-৬ বুঝিয়ে বিশা হবে বলে শুধু সময় ক্ষেয়পন করে যাচ্ছেন।

এমত অবস্থায় বিপদগ্রস্ত ভুক্তভোগী মোঃ মহিদুল ইসলাম বুঝতে পারলেন যে তার সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে তখন, বিবাদী ফরিদার কাছে মহিদুল ইসলাম নিরুপায় হয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গদের অবগত করে, তার পাওনা টাকা চাইতে গেলে, ফরিদা বেগম, উচ্চ-বাচ্য কথা বলে গালিগালাজ করে, এবং মহিদুল ইসলামকে খুন-জখম ও প্রারাণে মারার হুমকি ধমকি দিয়ে আসছেন ঐ প্রতারক নারী ফরিদা।

ভুক্তভোগী মহিদুল ইসলামকে, প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে বলে তোকে কোন প্রকারেরট টাকা দেওয়া হবে না তুই যা করতে পারো করিস-তোর বাপ-খালু যারা আছে তাদেরকে নিয়ে আসিস এসব বলে ভয় দেখিয়ে আসছে।

ভুক্তভোগী মহিদুল ইসলাম সহ্য়-সম্বল হারিয়ে পথে বসে যায়, সিঙ্গাপুর যাওয়ার স্বপ্ন দেখে জমি-জমা, বৌয়ের সর্ন-অলংকার বিক্রি করে টাকা জমা দেন নিমিষেই সেই স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। সেই স্বপ্নই যেন তার জিবনে কাল হয়ে গেলো ।

ভুক্তভোগী মহিদুল ইসলাম অভিযোগে উল্লেখ করে আরো বলেন আমাদের মতো আর কারো জীবন জানো এই ফরিদা নষ্ট করতে না পাড়ে। আমরা অবষেশে জানতে পারি এই মহিলা একজন প্রতারক এবং বদমেজাজি ও চুরি কারার অভিযোগ সহ একাধিক লোককের সাথে প্রতারণা করে আসছে।

বিভিন্ন দেশে পাঠানোর কথা বলে কৌশলে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই ফরিদা বেগম।
বর্তমান সরকারের প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,ও সরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ঝিনাইদা পুলিশ প্রশাসনের কাছে আমরা সহযোগিতা যাচ্ছি যে আমাদের পাওনা টাকা আমরা ফেরত চাই, আমরা এই দালাল প্রতারক ফরিদা বেগমের কাছ থেকে মুক্তি চাই এবং ফরিদার বিচার চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category